| |
               

মূল পাতা আন্তর্জাতিক ড. সরোয়ার ও আসিফ মাহতাবকে হত্যার হুমকির ঘটনায় ইন্তিফাদা বাংলাদেশের নিন্দা


ড. সরোয়ার ও আসিফ মাহতাবকে হত্যার হুমকির ঘটনায় ইন্তিফাদা বাংলাদেশের নিন্দা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক     16 August, 2025     08:12 PM    


শিক্ষাবিদ ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন ও আসিফ মাহতাব উৎসকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইন্তিফাদা বাংলাদেশ।

সংগঠনটি বলেছে, এই হুমকি দেশের তথাকথিত সেক্যুলার, প্রগতিশীল ও বামপন্থী মহলের দীর্ঘদিনের বিকৃতি ও উগ্রবাদের বহিঃপ্রকাশ।

শনিবার (১৬ আগষ্ট) গণমাধ্যমে সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. মেহেদী হাসানের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিবৃতিতে ইন্তিফাদা জানায়, ড. সরোয়ার হোসেন ও আসিফ মাহতাব উৎসের মতো সম্মানিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে, এমনকি তাঁদের কাটা মাথা দিয়ে ফুটবল খেলার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই বর্বরতার মূল হোতা সিলেট মেট্টোপলিটন ইউনিভার্সিটির ইংলিশ ডিপার্টমেন্টের ৫৩তম ব্যাচের সদ্য বহিষ্কৃত ছাত্র ও LGBTQ+ অ্যাকটিভিস্ট সাফওয়ান চৌধুরী রেবিল, যে ‘সাহারা চৌধুরী’ ও ‘অ্যান্টার্কটিকা চৌধুরী’ নামেও পরিচিত। তার সাথে কিছু বাম সংগঠনের সদস্য যোগ দিয়ে উগ্রবাদের জোট তৈরি করেছে।

ইন্তিফাদা স্পষ্ট জানায়, জুনায়েদ সাকি ও সামিনা লুৎফাসহ বামপন্থী রাজনীতিবিদ ও শিক্ষকরা এই ঘৃণ্য অপরাধীর পক্ষে সাফাই গাইছেন। বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলন ও ছাত্র ইউনিয়নের মতো সংগঠনগুলোও প্রকাশ্যে হত্যার হুমকিদাতাকে রক্ষা করছে। এর মধ্য দিয়ে তারা সরাসরি হত্যার পক্ষে একাডেমিক গ্রাউন্ড তৈরি করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়ার পরও কয়েকদিন অতিবাহিত হয়ে গেছে, অথচ চৌধুরী রেবিলের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এটি বাংলাদেশের কাঠামোগত ইসলামবিদ্বেষ ও সেক্যুলার-প্রগতিশীলদের হেজেমনির নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। অতীতে দেখা গেছে, লাল সন্ত্রাসের নামে প্রকাশ্য ঘোষণা দেওয়া বাম ছাত্রনেতাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়নি। অথচ, এর চেয়ে সামান্য ঘটনায়ও ইসলামপন্থীদের দ্রুত গ্রেফতার ও হয়রানি করা হয়েছে।

ইন্তিফাদা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়, ড. সরোয়ার হোসেন ও আসিফ মাহতাব উৎসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অবিলম্বি দায়িত্ব। পাশাপাশি, হত্যার হুমকি প্রদানকারী ও তার মদদদাতাদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। LGBTQ+ মতাদর্শের আড়ালে বিকৃতকামিতা উসকে দেওয়া এবং নিরপরাধ মানুষ হত্যার জন্য গ্রাউন্ড তৈরি করা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম; তাই সংশ্লিষ্টদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে।